Breaking News

‘বাংলাদেশ টাইগার’ দলে কারা সুযোগ পাবে আজ জানিয়ে দিলো বিসিবি

বাংলাদেশ জাতীয় দলের বাইরে আরেকটি দল তৈরি করতে যাচ্ছে বিসিবি। এরই মধ্যে দলের নাম দেয়া হয়েছে। জাতীয় দলের পাশাপাশি একটা শক্ত ব্যাকাপ তৈরি করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ টাইগার নামে ছায়া জাতীয় দল তৈরির পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।

গতকাল (১৫ জুন) বিসিবি সভাপতির এমন ঘোষণার পর আজ (১৬ জুন) সংবাদ সম্মেলন করে বাংলাদেশ টাইগারের গঠন প্রক্রিয়া ও কার্যক্রম সম্পর্কে ধারণা দেন বিসিবি পরিচালক কাজী ইনাম আহমেদ।

বাংলাদেশ টাইগার এর কার্যক্রম দেখভালের দায়িত্ব পড়েছে কাজী ইনাম ও আরেক বিসিবি পরিচালক খালেদ মাহমুদ সুজনের কাঁধে। মূলত জাতীয় দল থেকে বাদ পড়া, চোটে পড়া কিংবা ঘরোয়া ক্রিকেটে ধারাবাহিকভাবে পারফর্ম করাদের সুযোগ মিলবে এই স্কোয়াডে। কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে দেশি কোচদের মাধ্যমে, সাবেক ক্রিকেটারদের কাজে লাগানোর সুযোগ হিসেবেও দেখছে বিসিবি।

আজ (১৬ জুন) বিকেলে বিসিবির একাডেমি প্রাঙ্গনে সংবাদ মাধ্যমকে কাজী ইনাম আহমেদ বলেন, ‘ আমরা আমাদের লোকাল কোচিং স্টাফদের নিয়োগ দিতে চাই।

আপনি দেখেন জাতীয় দলের অনেক অবসর নেওয়া ক্রিকেটার কিন্তু আছে যারা এখনকার যেসব টুর্নামেন্ট হয় বিপিএল, ডিপিএল সহ ঘরোয়া লিগগুলোতে কাজ করছে। আমরা যদি তাদের উৎসাহ দেই তাহলে তারাও উন্নতি করতে পারবে। এই জায়গাটায় আমরা সাবেক জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের নিয়োজিত করতে চাই।’

‘যেসব খেলোয়াড় নিব তারা ঘরোয়া লিগে নিয়মিত পারফর্ম করে এমন। তাদেরকে সুযোগ দেওয়া হবে যেন সেরা সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত হয়। অনেক সময় তারা এ ধরণের সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়।

আমাদের অনেক সময় সুযোগ-সুবিধার ঘাটতি থাকে। উদাহরণ হিসেবে মাননীয় বোর্ড সভাপতি যেটা বললেন দেখা যাচ্ছে কোন খেলোয়াড় জাতীয় দলের বাইরে কিন্তু সে সুযোগ-সুবিধা নিতে পারছেনা।’

‘ধরেন ইমরুল কায়েসের মত ক্রিকেটার যে অনেক সময় জাতীয় দলে খেলেছে, আবার অনেক সময়ই জাতীয় দলে নেই। আমরা নিশ্চিত করতে চাই এ ধরণের ক্রিকেটাররাও জাতীয় দলের মত সুযোগ সুবিধা পাবে।’

বাংলাদেশ টাইগারের সাথে সরাসরি যোগাযোগ থাকবে জাতীয় দলের তিন ফরম্যাটের অধিয়ানায়কদের। তাদের পরামর্শ আমলে নিয়েই কার্যক্রম পরিচালনা করতে চায় বিসিবি। এমনকি তাদের চাহিদা মোতাবেক খেলোয়াড় জাতীয় দলে সরবরাহের পরিকল্পনাও আছে দেশের ক্রিকেট নিয়ন্ত্রক সংস্থার।

কাজী ইনাম আহমেদ এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘আমাদের মূল লক্ষ্য থাকবে জাতীয় দলের তিনজন অধিনায়ককে এখানে যুক্ত করা। ইতোমধ্যে আমার সাথে তামিম, মুমিনুল ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের সাথে কথা হয়েছে।

তারা এ বিষয়ে বেশ সচেতন, যখন বিষয়টা বোর্ড সভাপতির সাথে আলাপ আলোচনা করা হয়েছে তখনই তারা এটার সাথে জড়িত ছিল। তারা খুবই রোমাঞ্চিত ও খুশি, তারা বেশ কিছু ভালো পরামর্শও দিয়েছে।’

‘সুতরাং তারাই লক্ষ্য বিবেচনায় নিয়ে আমাদের কাছে চাহিদার কথা জানাবে। আমাদের সাদা বলের ফরম্যাটে ৬-৭ নম্বরের জন্য হিটার এখনো পাইনি। আমাদের লক্ষ্য থাকবে বছরজুড়ে পরিচালিত এই কার্যক্রম থেকে এ ধরণের বিশেষ জায়গাগুলোর জন্য ক্রিকেটার বের করে আনা।’

প্রয়োজনে ঢাকার বাইরে সিলেট, চট্টগ্রামেও চলবে সারাবছরের এই কার্যক্রম, ট্রেনিং ক্যাম্প। স্কোয়াডে ক্রিকেটারের সংখ্যা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। তবে সেটি ১৬-২০ জনের মধ্যে থাকবে এমন আভাসই দিলেন কাজী ইনাম আহমেদ। খেলোয়াড়দের চোট কাটিয়ে ফেরা জন্য সর্বোচ্চ সেরা মানের মেডিকেল সেবা নিশ্চিত করা হবে এই প্রোগ্রামে।

তিনি বলেন, ‘আগেই যেটা বললাম খেলোয়াড়দের ইনজুরি হতে পারে। তাদের জন্য বেশ ভালো মানের একটা মেডিকেল বিভাগ রাখা হবে। যেমন শফিউল ইসলাম অনেকদিন ধরে জাতীয় দলের বাইরে, তার ইনজুরি থেকে সেরে উঠতে সময় লাগবে। এমন ক্রিকেটারদেরও দেখভাল করা হবে।’

Check Also

বাংলাদেশ দল যে কারণে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তিন ফরম্যাটে সফল হয়েছে

বাংলাদেশ বিদেশের মাটিতে এ প্রথমবার তিন ফরম্যাটে সিরিজ জিতেছে। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টেস্ট, ওয়ানডে, টি-টোয়েন্টি সিরিজ …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *